দেশে ফাইজারের করোনাভাইরাস টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট চারটি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে।

বৃহস্পতিবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের মোট চারটি টিকা অনুমোদন পেল।

এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুতনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এ টিকা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা।

গত ২৪ মে ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়।

ফাইজারের টিকা ১২ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। টিকাটি দুই ডোজের। প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন  থেকে চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। মাইনাস ৯০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয় এটি। তবে পাঁচ দিন দুই থেকে আট ডিগ্রি তাপমাত্রায় এবং দুই ঘণ্টা ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় টিকাটির গুণাগুণ ঠিক থাকে।