এবার দেশে আসছে ফাইজারের করোনাভাইরাস টিকা। আগামী রোববার টিকাটির এক লাখ ৬২০ ডোজ দেশে আসবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে বৃহস্পতিবারই দেশে ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এ নিয়ে মোট চারটি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে। এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুতনিক-ভি এবং চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেশে এনে প্রথম ব্যবহার শুরু করা হয়।

গত ২৪ মে ফাইজারের টিকা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন চেয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়। এ টিকা যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করা।

ফাইজারের টিকা ১২ বছর এবং তদূর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। টিকাটি দুই ডোজের। প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন থেকে চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। মাইনাস ৯০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয় এটি। তবে পাঁচ দিন দুই থেকে আট ডিগ্রি তাপমাত্রায় এবং দুই ঘণ্টা ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় টিকাটির গুণাগুণ ঠিক থাকে।