২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি প্রতি ব্যবহৃত প্রাথমিক জ্বালানির ২০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার ঢাকায় ন্যাশনাল এনার্জি ব্যালেন্স বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘মহাপরিকল্পনা অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপি প্রতি ব্যবহৃত প্রাথমিক জ্বালানির ২০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, সময়ের প্রেক্ষিতে তা হালনাগাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

প্রতিমন্ত্রী এসময় বলেন,মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫১২ কিলোওয়াট ঘন্টা যা বাড়ানোর উদ্যোগও আমাদের নিতে হবে। মানসম্পন্ন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহারে স্রেডা কাজ করছে। তবে জ্বালানি সাশ্রয়ী যন্ত্রাদি ব্যবহার করা আবশ্যক বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারে গ্রাহকদের আরও উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সাশ্রয় আর্থিকভাবে লাভবান করার সাথে সাথে পরিবেশ ও সামাজিক নানা নির্দেশক উন্নয়নেও সহায়তা করে। সাশ্রয়ের উপকারী দিক ও প্রক্রিয়াগুলো গ্রাহক ও জনগণকে অবহিত করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন।’

ন্যাশনাল এনার্জি ব্যালেন্স বাংলাদেশ শীর্ষক কর্মশালায় স্রেডার পরামর্শক ইউসি হিকোকাতো মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ খাতে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ জিডিপি প্রতি জ্বালানি ইন্টেনসিটি কমেছে বলে উপস্থাপনায় বলা হয়।

স্রেডার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ, বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সত্যজিত কর্মকার বক্তব্য দেন।

মন্তব্য করুন