স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে নবম পে-স্কেলসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানায় ১১-২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উত্থাপন করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, আমরা ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

তিনি জানান, এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ না নিলে আগামী ১৮ জুন ফোরাম জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন ও পুনরায় ফোরামের প্রতিনিধি দল সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বরাবর তার দপ্তরে স্মারকলিপি দেবেন।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমানো, স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে নবম পে-স্কেল ঘোষণা, বেতন বৈষম্য নিরসনসহ গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমানো, পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগে অন্তর্বর্তীকালীন যৌক্তিক পরিমাণে মহার্ঘ ভাতা প্রদান, এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, সব পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড দিয়ে ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণ, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখা, সচিবালয়ের মতো সচিবালয়ের বাইরের সব দপ্তর, অধিদপ্তর এবং পরিদপ্তরে পদবি ও গ্রেড পরিবর্তন করা, সব ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা, নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।

ফোরামের সভাপতি লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি কাজী ফাহাদুর রহমান রাজু, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম খান, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা মহানগরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

মন্তব্য করুন