ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত একজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তার বাড়ি খুলনায়। বয়স ৪৫ বছর। এর আগে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

ঢামেক হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. ফরহাদ হাছান চৌধুরী মারুফ জানান, ওই রোগী কভিড-পরবর্তী জটিলতা নিয়ে সপ্তাহখানেক আগে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার মাথাব্যথা, সাইনোসাইটিস এবং ডান চোখে দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। প্রথমে তাকে ফাঙ্গাস ইনফেকশন রোগী হিসেবে সন্দেহ করা হয় এবং নাক কান গলা বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে সাইনাস অপারেশন করা হয়। তারপর ওখানকার স্যাম্পল নিয়ে ফাঙ্গাস টেস্ট করতে দেওয়া হয়। রোগীর হিস্টোপ্যাথলজি, মাইক্রোস্কপি আর কালচার তিনটাতেই মিউকর মাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে এম্ফোটেরিসিন-বি দিয়ে তার চিকিৎসা চলছে।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস দেশে আগেও ছিল। এটা নতুন কিছু না যে, এটা নিয়ে আতঙ্কিত হতে হবে।

দেশে এর আগেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত ৮ ও ২৩ মে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে দু'জন রোগীর শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়। তাদের একজনের বয়স ছিল ৪৫ এবং আরেক জনের ৬০ বছর। তাদের চিকিৎসা চলছে। সম্প্র্রতি ভারতে ছত্রাকজনিত এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশেও উদ্বেগ তৈরি হয়। এরই মধ্যে আরেক জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলল। 

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।