ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচনে সোমবার বরিশালের গৌরনদীতে নির্বাচনী সহিংসতায় দু'জন নিহতের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে ও মঙ্গলবার বিকেলে দায়ের করা এসব মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে। এ ছাড়া ভোলার চরফ্যাসনে একজন নিহতের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রধান আসামিকে।

গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় নিহত আবু বক্কর ফকিরের (২৮) বাবা আঞ্জু ফকির এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় নিহত মৌজে আলী মৃধার (৬৫) ছেলে নজরুল মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেন। আঞ্জু ফকিরের মামলায় এজাহারনামীয় ৩১ জনসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। নজরুল মৃধার করা মামলায় এজাহারনামীয় আসামি ২১ জন। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে আরও ৭০-৮০ জনকে।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, মৌজে আলী হত্যা মামালায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার সকালে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আবু বক্কর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

এদিকে চরফ্যাসনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলিতে মনির হোসেন নামে এক যুবক নিহতের ঘটনায় সোমবার রাতে মামলা করেন তার বাবা বশির সিকদার। এজাহারভুক্ত ১০ জনসহ অজ্ঞাত আরও ৬০ জনকে আসামি করে শশীভূষণ থানায় মামলাটি করা হয়। জাহারভুক্ত প্রধান আসামি রিয়াজকে গ্রেপ্তার করে গতকাল আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। রিয়াজ ওই গ্রামের ইউসুব সিকদারের ছেলে।

শশীভূষণ থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

বিষয় : নির্বাচনী সহিংসতা মামলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন

মন্তব্য করুন