স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘যদি কেউ ডোপ টেস্টে যদি পজিটিভ হন, তবে তিনি সরকারি চাকরি পাবেন না। শুধু নিয়োগ প্রার্থীরা না, যারা ইতোমধ্যে যোগদান করেছেন আমরা তাদেরও ডোপ টেস্টের আওতায় নিয়ে আসছি। বিশেষ করে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীতে যারা আছেন তাদের প্রত্যেকের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। ডোপ টেস্টে যাদের পজিটিভ পাচ্ছি, তাদের বিরুদ্ধে আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি।’

শুক্রবার (২৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্য নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস)’ এর আয়োজনে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। 

এসময় তিনি বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ২০৩০ ও ২০৪১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা যাবে না। তাই আমরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে ঢেলে সাজিয়েছি। আগে যেখানে তিন থেকে চারটি জেলা নিয়ে ছোট্ট একটি অফিস থাকত, এখন সেখানে প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস রয়েছে। আমরা লোকবলও বাড়িয়েছি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনও আমরা ঢেলে সাজিয়েছি।’

জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ মাদক উৎপাদনকারী দেশ না হয়েও মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশের ফলে আমাদের তরুণ যুবসমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদকে আসক্তদের শতকরা ৮০ ভাগ কিশোর ও তরুণ, যা এরই মধ্যে গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন।

এসময় আলোচনায় আরও উপস্থিতি ছিলেন মানসের সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ হোসনে আরা রীনা প্রমুখ।

বিষয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডোপ টেস্ট মাদক

মন্তব্য করুন