সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন আইন প্রণয়নের পাশাপাশি পুরাতন আইন সংশোধন করারও প্রয়োজন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ আয়োজিত ‘লেজিসলেটিভ ডেস্ক বুকের’ খসড়া উপস্থাপন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হচ্ছে। এসব অ্যাড্রেস করার জন্য সরকার নতুন নতুন আইন প্রণয়ন করছে। পুরাতন আইনগুলো সংশোধন করে সময় উপযোগী করছে।’

তিনি জানান, সময়ের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেই সরকার করোনা মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ ছাড়াও বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেছে।

আনিসুল হক বলেন, ‘আইনের খসড়া প্রস্তুত ও ভেটিং কাজ সহজ বিষয় নয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের নীতি ও কর্মপদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। আইনের প্রত্যেকটি শব্দের অর্থ এবং গুরুত্ব আছে। তাই আইনের বাক্যে শব্দ ব্যবহার করার ব্যাপারে পদ্ধতিগত অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলনের প্রয়োজন।’

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে না থাকলেও সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তার দর্শনের আলোকে আইন প্রণয়ন করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।’

আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবিরের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব ও প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় লেজিসলেটিভ ডেস্কবুকের খসড়া উপস্থাপন করেন টিম লিডার এ. কে. মোহাম্মদ হোসেন।