সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর করতে নওগাঁয় গ্রামে গ্রামে স্বেচ্ছাসেবী কমিটি গঠন শুরু হয়েছে।

নওগাঁ জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে ইতোমধ্যে দেড় হাজার কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির প্রায় ১১ হাজার স্বেচ্ছাসেবী সদস্য করোনা সংক্রমণ রোধে মাঠে নেমেছেন।

লকডাউনের প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এসব কমিটির স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করতে দেখা গেছে।

গত মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি এক অনলাইনে এক সভার আয়োজন করে। ওই সভায় খাদ্যমন্ত্রী ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার জেলায় করোনা প্রতিরোধে নানা কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলায় করোনা প্রতিরোধ সহায়তা কন্ট্রোল রুম খোলার পরামর্শও দেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সমকালকে বলেন, ‘করোনা মহামারির বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। সবাইকে এখন বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’

নওগাঁর জেলা প্রশাসক মো: হারুন অর রশীদ বলেন জানান, আগামী দুএকদিনের মধ্যে জেলার সব গ্রামে গ্রাম কমিটি গঠন করা হবে। এখন এসব কমিটির জেলা কন্ট্রোল রুমে যেসব তথ্য দেবে, তার ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আশা করছি এই সাত দিনের লকডাউন যথাযথভাবে পালন করতে পারলে করোনা সংক্রমণ অনেকাংশই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’

নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতরা গ্রামের করোনা প্রতিরোধ গ্রাম কমিটি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রামের প্রতিটি পয়েন্টে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়েছে। এসময় কাজের অভাবে কেউ অভুক্ত থাকছে কিনা সে খবর নেওয়া হয়েছে।’