কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে  র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। 

তারা হলেন, রোহিঙ্গা ডাকাত গ্রুপ হাসেম বাহিনীর প্রধান হাসিমুল্লাহ (৩৩) ও ইয়াবা কারবারি লুৎফর রহমান প্রকাশ মানিক প্রকাশ লুতুইয়া।

র‌্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প কমান্ডার ল্যাফটেনেন্ট মাহবুবুর রহমান সমকালকে জানান,  র‌্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প কমান্ডার ল্যাফটেনেন্ট মাহবুবুর রহমান জানান, ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দমদমিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে অস্ত্রধারী ডাকাত দলের অবস্থান জানতে পেরে অভিযানে যায়  র‌্যাব-১৫ এর একটি দল।

তিনি বলেন, ‘ র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল  র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এসময়  র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে ডাকাতদল পিছু হটতে বাধ্য হন। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি দেশি বিদেশি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে  র‌্যাব। গুলিবিদ্ধ আহত ওই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

র‌্যাব কর্মকর্তা মাহবুব আরও জানান, এ ঘটনায় র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

নিহত হাশিমুল্লাহ শীর্ষ ডাকাত দল ‘হাসেম উল্লাহ বাহিনী’র প্রধান ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্র মামলাসহ এক ডজন মামলা রয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

কক্সবাজারের ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে উখিয়ার পালংখালীতে বিজিবির সঙ্গে ‘গুলি বিনিময়ের’ সময় মানিক প্রকাশ লুতুইয়া নিহত হন।

আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে পালংখালী ইউনিয়নের নলবুনিয়া ৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি করতে শুরু করে। বিজিবি সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। পরে কেওড়াতলী এলাকা থেকে লুতুইয়ার গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন তারা। এসময় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার করেন তারা।

লুতুইয়াকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মানিক প্রকাশ লুতুইয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টির বেশি ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানান বিজিবি কর্মকর্তা।