সীসা দূষণে মৃত্যুর তালিকায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। দেশে এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু সীসা দূষণের শিকার। যাদের রক্তে সীসার পরিমাণ ৭ দশমিক ৫ মাইক্রোগ্রাম পার ডেসিলিটার। যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রস্তাবিত নিরাপদ মাত্রার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেশি।

সোমবার পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ইউএসএআইডি, ওএকে ফাউন্ডেশন, সুইস এজেন্সি ফর ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড কর্পোরেশন-এসডিসির সহযোগিতায় পিওর আর্থ বাংলাদেশের উদ্যোগে ভার্চুয়াল কর্মশালায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বক্তারা দেশে সীসা দূষণ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ শামিম আল রাজি বলেন, সীসা দূষণ রোধে মাল্টি-সেক্টরাল পন্থা অবলম্বন করতে হবে। সীসা দূষিত লোকালয়গুলো খুঁজে বের করতে হবে। যেখানে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে, সেসব এলাকাকে নিরাপদ অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা নিজেদের অজান্তে সীসা খাচ্ছি, নিঃশ্বাস নিচ্ছি। এ বিষয়ে গণসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

পিওর আর্থ এর স্ট্রেটিজি অ্যান্ড পার্টনারশীপ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু ম্যাককার্টার বলেন, সীসার দূষণ বন্ধে সরকারকে জাতীয় কৌশল প্রণয়েণে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা নিতে হবে। সীসা শতবছর মাটিতে থাকে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এ সীসা দূষণে ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকে।


বিষয় : সীসা দূষণ সীসার পরিমাণ

মন্তব্য করুন