ইসলামের বিধান মেনে সঠিক নিয়মে সবাইকে কোরবানি করার আহ্বান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মীর হাজীরবাগে রিকশা ও ভ্যান চালকদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে কোরবানির মাংস বিতরণের সময় তিনি এই

আহ্বান জানান। 

তিনি বলেন, কোনো গরিব মানুষ না খেয়ে থাকলে এবং তার বাড়িতে মাংস না দিলে আপনার কোরবানি হবে না। ইসলামের বিধান মতে, কোরবানির তিন ভাগের দুই ভাগ গরিব মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। এই বিধান যদি আমরা সঠিকভাবে মানতাম তাহলে দেখা যেত, ঈদের দিন নামাজের পর গরিবের ঘরে মাংস যেত। শুধু তাই না গরিবের ঘরের ছেলেমেয়েরা সপ্তাহে একদিন মাংস খেতে পারতো। 

রিকশা ও ভ্যান চালকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কঠিন পরিশ্রম করেন। কিন্তু সড়কে আপনারা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। পুলিশের কোনো অধিকার নেই আপনাকে গালি দেওয়ার, আপনার পিঠে থাপ্পড দেওয়ার। তারা আপনাদের কাছ থেকে ঘুষ নেন। 

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে মাসব্যাপী গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের চিকিৎসা নেন। এর ফলে আপনার শরীর ভালো থাকবে। আপনার পরিবার ভালো থাকবে। আপনাদের ছেলেমেয়েরা গণস্বাস্থ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে কম খরচে পড়ার সুযোগ পাবে। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শ বাস্তবায়ন হলে দেশে একজন মানুষও না খেয়ে থাকতো না। রিকশা, ভ্যান, ফুটপাতের দোকানদারদের জন্য গণস্বাস্থ্য যে স্বাস্থ্যসেবা ও গণস্বাস্থ্যবীমার উদ্যোগ নিয়েছে তাদের সঙ্গে ভাসানী অনুসারী পরিষদ একত্রিত হতে পেরে আমরা খুশি। 

ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ এ রেজার পরিচালনায় ও মোজাম্মেল হক মাস্টারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন  মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মুক্তিযোদ্ধা শহীদ, ফরিদ উদ্দিন, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।