ভারতীয় বাংলা ছবির জনপ্রিয় তারকা ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার নির্বাচিত সদস্য নুসরাত জাহান। মানুষের ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ, ঘৃণার প্রবল বাণের মুখে দাঁড়িয়ে তার জীবনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। 

এ অভিনেত্রীর ভাষায়- ‘দাম্পত্য জীবন বিষাক্ত হতে শুরু করলে, তা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। শুধু সমাজের চোখরাঙানির ভয়ে প্রতিবাদ না করলে নিজে ভালো থাকা যাবে না।’ সম্প্রতি এক লাইভে এসে নারীদের ক্ষমতায়ন নিয়ে কথা বলে ফের আলোচনায় এলেন নুসরাত।

নুসরাত বলেন, ‘আমার লড়াই আমাকেই লড়তে হবে। কেউ কারও হয়ে গলা তুলবে না। এখন যদি লোককে দেখানোর জন্য ছলনার আশ্রয় নিয়ে মিথ্যে জীবন যাপন করি, স্বামী অত্যাচার করলেও সমাজের ভয়ে চুপ থাকি, লোকের সামনে স্বামীর ভাবমূর্তি রক্ষা করার জন্য আওয়াজ না তুলি, তবে নিজের জীবনটা কোথাও যেন হারিয়ে যাবে। নিজেদের ক্ষতগুলোকে লুকিয়ে রাখতে রাখতে নারীরা নিজস্বতা হারিয়ে ফেলবে।’

জীবন একটাই, তাই সকল নারীদের উদ্দেশে নুসরাতের পরামর্শ, ‘মনের আনন্দে বাঁচুন সবাই।’ যে নারীরা বিপদে রয়েছেন বা যাদের সাহায্যের প্রয়োজন, তারা যেন প্রশাসনের দ্বারস্থ হন, সেই পথও দেখালেন তিনি। এ অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা সকলেই তাদের পাশে রয়েছি। শুধু একটু মুখ ফুটে বলতে হবে।’

বেশ কয়েক মাস হলো স্বামীর ঘর ছেড়ে মা-বাবার সঙ্গে থাকছেন নুসরাত। নিখিলের সঙ্গে সর্বশেষ পোস্ট দিয়েছেন গত বছরের ৬ মে। এরপর ইনস্টাগ্রামে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে আর কোনো পোস্ট দেননি; বরং নুসরাত আর নিখিল দুজনই দুজনকে ‘আনফলো’ করে দিয়েছেন।

সে সময় থেকেই কলকাতার গণমাধ্যমগুলোতে খবর, নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন নুসরাত। তার প্রেমিক আর কেউ নন, যশ দাশগুপ্ত। ২০২০ সালের জুলাইয়ে ‘এসওএস কলকাতা’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এরপর যশের সঙ্গে নুসরাতকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে । কিছুদিন আগেই রাজস্থানে ঘুরতে গিয়েছিলেন তারা। এখন আর এসব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো লুকোছাপা করছেন না। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা