প্রথম বিয়ের তিন দিনের মাথায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে হলো আবদুল বাতেন রাজিব (২৮) নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে। 

রাজিব পূবালী ব্যাংকের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট শাখার কর্মকর্তা এবং হাতিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের চরকৈলাস মহল্লার আবদুল হালিম মিয়ার ছেলে।

সোমবার রাতে নোয়াখালী হাতিয়ায় পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের শুন্যেরচর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ব্যাংক কর্মকতার প্রথম স্ত্রীর মা বাদী হয়ে তার ও তার বড় ভাই আজীম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার সকালে হাতিয়া থানায় একটি মামলা করেন। হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, বসুরহাট শাখা পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা আবদুল বাতেন রাজিব গত ২২ জুলাই তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের ডা.আলী আকবর হোসেনের মেয়ে তাছলিমা আকতার শিউলিকে বিয়ে করেন। শিউলি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। তাদের বিয়ের তিন দিনের মাথায় প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে গোপনে ২৬ জুলাই রাতে হাতিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের শুন্যচর মহল্লার মাস্টার আব্দুল আলিম রুবেলের মেয়েকে বিয়ে করতে যান ওই ব্যাংক কর্মকর্তা। খবর পেয়ে নববধূর মা হোসনে আরা বেগম হাতিয়া থানায় অভিযোগ দেন। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে রাজিবকে আব্দুল আলিম রুবেলের বাড়ি থেকে আটক করে। 

এ বিষয়ে মাস্টার আব্দুল আলিম রুবেল বলেন, 'আব্দুল বাতেন রাজিব আমার মেয়েকে দেখার জন্য এলে পুলিশ বাড়ির সামনে থেকে তাকে আটক করে।'

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, গ্রেপ্তার ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।