অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ চান ৩৯তম বিসিএস (বিশেষ) উত্তীর্ণ ছয় হাজার ৩৬০ জন চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার সকালে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালের এপ্রিলে ৩৯তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে ২০১৯ সালের এপ্রিলে ফল প্রকাশিত হয়। এই বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসককে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। সেই সঙ্গে উত্তীর্ণ আট হাজার ৩৬০ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। করোনা সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের মে মাসে এদের মধ্য থেকে দুই হাজার জনকে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। বাকি ছয় হাজার ৩৬০ জন চিকিৎসক নিয়োগের অপেক্ষায় আছেন। বর্তমানে নতুন পদ সৃজন হওয়ায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণ অপেক্ষমাণ চিকিৎসকদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান উত্তীর্ণরা।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক দুলাল চিকিৎসক নিয়োগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সহসভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরীও ৩৯তম বিসিএস উত্তীর্ণদের দ্রুত নিয়োগের সুপারিশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহসহ অনেকে নিয়োগের পরামর্শ দিলেও কোনো অদৃশ্য কারণে সেটির বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

তারা বলেন, বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ৪২তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা অনিশ্চিত ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। ততদিনে দেশের করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা রয়েছে। ৩৯তম বিসিএসের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ায় শুধু সুপারিশপ্রাপ্ত হলেই তারা কাজে যোগ দিতে পারবেন। তাতে চিকিৎসক সংকট সামগ্রিকভাবে দূর না হলেও কিছুটা কাটবে।