কৃষিতে যুবদের আগ্রহী করতে সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজিনিয়াস নলেজ (বারসিক) ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। 

বুধবার আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে 'খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর ও তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা' শীর্ষক অনলাইন নাগরিক সংলাপে এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, কৃষিতে যুবকদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে কৃষকের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে, যাতে তরুণরা এই খাতকে সম্মন করে।

পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান বলেন, কৃষিকে আমরা পারিবারিক ও সামাজিকভাবে মর্যাদা দিই না। কৃষক পরিবারের বাবা-মায়েরা চান না তার সন্তান কৃষক হোক। তাই কৃষিকে মর্যাদা দেওয়ার কাজ পরিবার থেকে শুরু করতে হবে। এ জন্য খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরে যুবকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য কৃষিকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবেও মর্যাদা দিতে হবে এবং কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করতে হবে।

বারসিকের পরিচালক পাভেল পার্থ মূল প্রবন্ধে বলেন, গ্রামে যুবরা যেমন কৃষি উৎপাদনে জড়িত আবার নতুনভাবে শহরে নানাভাবে নিরাপদ প্রাকৃতিক খাদ্যনির্ভর যুবদের উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। তবে সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থায় উৎপাদক, ক্রেতা, বিক্রেতা, ভোক্তা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিল্পী, বিজ্ঞানী, কৃষকসহ সবার যৌথ সমন্বয় জরুরি।

সভায় তরুণদের জন্য কৃষি পদকের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ, ইউনিয়ন পর্যায়ে শস্য সংরক্ষাণাগার তৈরি, জাতীয় বাজেটে যুবদের কৃষিতে যুক্ত করতে আলাদা বরাদ্দ রাখা এবং অঞ্চলভিত্তিক জাতীয় তরুণ কৃষিনীতি চালুর দাবি জানানো হয়।