পাইলটের হার্ট অ্যাটাকের কারণে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইটটি রাতেই ঢাকা এসে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপ মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার। এর আগে স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে মাস্কাট থেকে নাগপুরে এসে বিজি-২২ ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে।

তাহেরা খন্দকার জানান, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী টিম নাগপুরে পাঠানো হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, রাতেই ওই ফ্লাইটটি তারা ঢাকা পৌঁছাবেন।

তিনি বলেন, ফ্লাইটটির সব যাত্রী নিরাপদে আছেন। ইতোমধ্যে যাত্রীদের জন্য  এয়ারপোর্টের লাউঞ্জে খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানান, ফ্লাইটটি ভারতের রায়পুরের আকাশে থাকাকালে পাইলট অসুস্থ বোধ করেন। এসময় জরুরি অবতরণের জন্য কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা নিকটতম নাগপুর এয়ারপোর্টে অবতরণ করার পরামর্শ দেয়।

সে অনুযায়ী ফ্লাইটটি নাগপুরে অবতরণ করে। অবতরণের পর বোয়িং-৭৩৭-৮০০ মডেলের প্লেনটির ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউমকে স্থানীয় হোপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। বিমানের দিল্লি অফিসের কান্ট্রি ম্যানেজারকে জরুরি ভিত্তিতে যাত্রী, ক্রু ও ফ্লাইটের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য নাগপুর পাঠানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বিমানের শিডিউল ফ্লাইটের মাধ্যমে  আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দলকে নাগপুরে পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে আজ রাতেই যাত্রীসহ বিজি-২২ ফ্লাইটটি ঢাকায় এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহাবুব জানিয়েছেন, ঢাকার উদ্দেশে মাস্কাট থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইটটি নাগপুরে জরুরি অবতরণ করেছে পাইলটের হার্ট অ্যাটাকের কারণে। তবে ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম আপাতত ভালো আছেন। তার এনজিওগ্রাম হয়েছে।

শুক্রবার সকালে বোয়িং বিজি-২২ ফ্লাইটটি ১২৪ জন যাত্রী নিয়ে ওমান থেকে উড্ডয়ন করে। এরইমধ্যে নাগপুরে এসে জরুরি অবতরণ করে। তবে এতে আরোহী কারও কোনো ক্ষতি হয়নি। সবাই নিরাপদে আছেন।