বাণিজ্যিকীকরণের প্রভাব আর সচেতনতার অভাবে নষ্ট হচ্ছে বুড়িগঙ্গা নদী। ঢাকার প্রাণ এই নদীকে নিয়ে ভাবতে হবে। বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হবে। নদী রক্ষায় বাড়াতে হবে তরুণদের সম্পৃক্ততা।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ওয়াশপুরের মাঝের চরে বুড়িগঙ্গার পাড়ে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ কনসোর্টিয়াম এর দূষণবিরোধী অ্যাডভোকেসি প্রকল্পের উদ্যোগে ‘নদী এবং যুবসমাজ’ শীর্ষক নদী কথন অনুষ্ঠানে আলোচকরা এ কথা বলেন।

ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক এবং ব্লু প্ল্যানেট ইনিশিয়েটিভ এর নির্বাহী পরিচালক শরীফ জামিলের সঞ্চালনায় তৃতীয় নদী কথন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান, বাংলাদেশ বিতর্ক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আহমেদ রেজা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাওমান স্মিতা ও বুড়িগঙ্গা নদী তীরের কম্যুনিটি সদস্য আব্দুল্লাহ সানি।

অনুষ্ঠানে শরীফ জামিল বলেন, বুড়িগঙ্গায় প্রায় পঞ্চাশভাগ দূষণের জন্য দায়ী হাজারীবাগের দুই শতাধিক ট্যানারি শিল্প এবং শ্যামপুরের এক শতাধিক ডাইং কারখানা। সদরঘাটে নৌযান থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ময়লার কারণেও নদী দূষণ হচ্ছে।

ড. আহমদ কামরুজ্জমান বলেন, বুড়িগঙ্গার দূষিত বাতাস ঢাকার যে পর্যন্ত যাচ্ছে তার সবই দূষিত হয়ে যাচ্ছে। নদী রক্ষায় জনগণকে সচতেন হতে হবে।

অ্যাডভোকেট রাওমান স্মিতা বলেন, নদীকে ধ্বংস করে দেশ রক্ষা করা যাবে না। নদী তথা পরিবেশ রক্ষায় তরুণদেরকে যুক্ত করতে হবে। তাদের কণ্ঠস্বর জোরালো করতে হবে।