রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় অবৈধ ইঞ্জিনচালিত রিকশা বন্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অভিযান চালিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক।

শুক্রবার সকাল থেকে এসব রিকশা বন্ধ করতে সড়কে অবস্থান নিয়ে ব্যাটারির সঙ্গে সংযোগ বন্ধ করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক।

কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘কিছু লোক নিজেদের পকেট ভারী করতে অসাধু রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করে ইঞ্জিনচালিত রিকশার কারবার চালাচ্ছে। এসব রিকশার কারণে প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। জনগণের সঙ্গে রিকশা বন্ধে আমরাও মাঠে নেমেছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ইঞ্জিনচালিত রিকশা বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছেন।’

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী আমান, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ইসলাম রানা, ৯১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রওশন আলীসহ কয়েকশ নেতাকর্মী।

যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা বলেন, ‘ইঞ্জিনচালিত রিকশা ঘিরে একটি বড় চক্র রয়েছে। অলিগলিত এসব রিকশার জন্য হাঁটা কষ্টসাধ্য। সাধারণ পথচারিদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হলে শহরের অলিগলিতে ইঞ্জিনচালিত রিকশা বন্ধের বিকল্প নেই।’

স্থানীয় বাসিন্দারা সমকালকে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় চলছে ইঞ্জিনচালিত রিকশা। স্থানীয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশকে ম্যানেজ করেই দিনের পর দিন অটোরিকশা রাস্তায় নামাচ্ছে একটি চক্র। সরকারের শীর্ষপর্যায় থেকে অটোরিকশা বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হলেও এর সঙ্গে জড়িতরা কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই এই কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। 

কাউন্সিলর মানিক ও অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতারা সমকালকে বলেন, ল্লবীতে অটোরিকশা কারবারের নিয়ন্ত্রণ করছেন যুবলীগ নেতা পরিচয় দেওয়া শেখ মোহাম্মদ আলী আড্ডু। তাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করছেন স্থানীয় এক কাউন্সিলর। আড্ডুর লোকজনের কাছ থেকে টোকেন নিয়ে চলছে অবৈধ অটো রিকশা।