নগরীর জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করা হলেও তার ‘অধিকাংশই অবৈধ দখলে’ রয়েছে বলে জানালেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

সোমবার সকালে গাবতলী বেড়িবাঁধসংলগ্ন অ্যাসফল্ট প্লান্টের জমি উদ্ধার ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘নগরীর জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে সুপরিকল্পিত জলাধার খুবই প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করা হলেও তার অধিকাংশই অবৈধ দখলে রয়েছে, যা খুবই দুঃখজনক।’

তিনি জানান, কল্যাণপুর জলাধারের জন্য নির্ধারিত ১৭৩ একর জমির মধ্যে ১৭০ একর এবং গাবতলী বেড়িবাঁধসংলগ্ন অ্যাসফল্ট প্লান্ট ও অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত ৫২ একর জমির অর্ধেকের বেশি অবৈধ দখলদারদের দখলে রয়েছে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘আজকের (সোমবার) অভিযানে বিনা প্রতিবন্ধকতায় প্রায় ২০ বিঘা জমি উদ্ধার করা হয়েছে, উদ্ধারকৃত জমিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই বাউন্ডারি ওয়াল দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন,রাজধানীর কল্যাণপুরে হাতিরঝিলের মত আরেকটি দৃষ্টিনন্দন জলাধার নির্মাণ করা হবে। জলাধারের পাশাপাশি ওয়াকওয়ে ও সুইমিংপুলও সংযুক্ত থাকবে।


আতিকুল ইসলাম অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘ডিএনসিসি থেকে অবৈধ দখলদারদের নামে কোন বৈধ নোটিশ ইস্যু করা হবে না, বিনা নোটিশেই তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।’

তিনি বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাজ করে যাচ্ছে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, জনগণের সহায়তায় খাল উদ্ধার ও পরিস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রতিটি খালের দুই পাড়ের সীমানা নির্ধারণ করে তা যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। 

এসময় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।