ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির মধ্য জলভাগ এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে বুধবার এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। দূরপাল্লার একটি মিশাইল উৎক্ষেপণের পর গত কয়েক দিনে এটি উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা। সূত্র: বিবিসি

এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) ঘোষণা করেছিল যে, অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। জাপানের কোস্ট গার্ডও রিপোর্ট করেছিল যে, একটি বস্তু নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং সেটি একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল হতে পারে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, এই পরীক্ষা সেখানকার শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি হুমকি তৈরি করছে। এই সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো এ জাতীয় পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া।

এখনো এটা পরিষ্কার নয় যে, মিসাইলের লক্ষ্যবস্তু কি ছিল বা এটা কতদূর যেতে পারে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মকাণ্ড সীমিত করার জাতিসংঘের প্রস্তাবনা পরিপন্থী।

এই পরীক্ষার মাত্র কিছুদিন আগে উত্তর কোরিয়া দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল যা জাপানের বেশিরভাগ স্থানে আঘাত করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করেনি। তবে পরিষদ মনে করেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তার চেয়ে বেশি ধ্বংসাত্মক কারণ এটি বড় আর শক্তিশালী বোমা বহন করতে পারে এবং অনেক দ্রুত বেশি দূরে যেতে পারে।

গত মাসে জাতিসংঘের আণবিক সংস্থা বলেছে, উত্তর কোরিয়া একটি পারমাণবিক চুল্লি পুনরায় চালু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য প্লুটোনিয়াম তৈরি করা হতে পারে। এতে সংস্থাটি খুবই উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছে।