ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য মাস্টার্সের এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সীমা ইসলামকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সমকালকে নিশ্চিত করেছেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী।

প্রক্টর গোলাম রব্বানী সমকালকে বলেন, ‘ওই ছাত্রীর অভিযোগ আমরা আমলে নিয়েছি। অভিযুক্তকে প্রক্টর অফিসে এনে তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাকে আবারও ডাকা হবে। এই বিষয়ে সহকারী প্রক্টর এবং ওই বিভাগের প্রতিনিধিরা মূল ঘটনা বের করতে কাজ করছেন।’ 

মহিলা পরিষদের বিবৃতি

এই যৌন হয়রানির ঘটনায় উদ্বেগ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে এই ঘটনায় জড়িতের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। বৃহস্পতিবার পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে এই ঘটনায় জড়িতের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা। 

এতে নারী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিকরণের দাবি জানিয়ে বলা হয়, ছাত্রীর অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন নিরোধ কমিটি অভিযুক্ত কবির আহম্মেদ কৌশিক বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে মহিলা পরিষদ। একইসঙ্গে যৌন নিপীড়ন, উত্ত্যক্তকরণ বন্ধে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের আলোকে পৃথক আইন তৈরিসহ রায়ের বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য দাবি জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

এর আগে গত বুধবার নিজ বিভাগের সহপাঠী কবির আহাম্মেদ কৌশিকের নামে যৌন হয়রানি এবং উত্যক্ত করার অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।