রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পূর্ব দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মানদালায় থেকে ১৩৫ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১১৪ কিলোমিটার গভীরে এ কম্পনের সৃষ্টি হয়। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও এই ভূমিকম্পের প্রভাবে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল বরাবর বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল 'সাবডাকশন জোন'  রয়েছে।

পৃথিবীর উপরিভাগের ৭০-১০০ কিলোমিটার পুরুত্বের লিথোস্ফিয়ার ছোট-বড় ১৩টি খণ্ডে (প্লেটে) বিভক্ত। উত্তপ্ত ও নরম এস্থোনোস্ফিয়ারের উপর ভাসমান এ প্লেটগুলো গতিশীল।

প্লেটগুলো গতিশীল থাকায় ভূখণ্ড ধীরে ধীরে সরতে থাকে, যেটাকে ‘অ্যাকটিভ ফল্ট’ বা সক্রিয় চ্যুতি বলা হয়। প্লেটের স্থানচ্যুতির সময় জমে থাকা শক্তি বিপুল বেরিয়ে আসে, তখন সংযোগস্থলে ভূকম্পন হয়।