ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির যাবতীয় নথি হাইকোর্টে দাখিল করেছে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ। তবে সবশেষ অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও ২০১৯ সাল পর্যন্ত অডিট রিপোর্ট হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসব নথি দাখিল করা হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ই- কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সব নথি তলব করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন। 

ইভ্যালিকে কেন অবসায়ন করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এছাড়া ইভ্যালির সব ধরনের সম্পদ বিক্রি-হস্তান্তরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেন হাইকোর্ট।

ইভ্যালির অবসায়ন ও অবসায়নের আগে ইভ্যালির ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনের নির্দেশনা চেয়ে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে এসব আদেশ দেওয়া হয়। ইভ্যালির গ্রাহক ফরহাদ হোসেন রিটটি দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইভ্যালিতে পণ্য অর্ডার করার পাঁচ মাস পরও তা বুঝে পাননি। এটা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর, ই-ক্যাব, ভোক্তা অধিকারে বারবার অভিযোগ করেন। কিন্তু তাতে কোনো প্রতিকার হয়নি। এজন্য ইভ্যালির অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি করা হয়েছে।

রিটে ইভ্যালি লিমিটেড, রেজিস্ট্রার জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, কনজুমার রাইটস প্রটেকশন ব্যুরো, নগদ, বিকাশ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন, ই-ক্যাব অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বেসিস, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য সচিবকে বিবাদী করা হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসাইন।