অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় মঙ্গলবার পঞ্চম দফা সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিনে সাক্ষীরা সবাই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ দিন ৯ সাক্ষীকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য উপস্থিত রাখা হয়েছিল। তবে মাত্র ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করায় বাকিদের পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৫, ২৬ ও ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এ ছাড়া মামলার দুই নম্বর সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে আবারও জেরা করার আবেদন করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এদিন সকালে ৩২তম সাক্ষী লে. কর্ণেল মোহাম্মদ ইমরান হাসানের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর এসআই সোহেল সিকদার, এএসআই নজরুল ইসলাম ও কনস্টেবল শুভ পালের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পিপি ফরিদুল আলম বলেছেন, মঙ্গলবার ৯ সাক্ষীকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য উপস্থিত রাখা হয়েছিল। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীদের অনীহায় চার জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্ভব হয়েছে। আজ সাক্ষীরা সবাই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৩৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। এ ছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার দুই নম্বর সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে আবারও জেরা করার আবেদন করেছেন

এর আগে সকালে জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজন ভ্যানে আদালতে আনা হয়। তারা হলো- টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেব নাথ, এপিবিএন সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ, টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।