এনজিওর চারণভূমি- বাংলাদেশকে এমন মনে করেন অনেক পর্যবেক্ষক। ছোট-বড় অনেক বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে এ দেশের আনাচেকানাচে। যে কোনো দুর্যোগ-দুর্বিপাকে সরকারের পাশাপাশি বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে এনজিও। রোহিঙ্গা সংকটেও ভূমিকা রাখছে বেসরকারি সংস্থাগুলো।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে হাতেগোনা কয়েকটি এনজিও ছাড়া তেমন কাউকে অসহায়-পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। উল্টো কোনো কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে এই দুঃসময়ে সরকারের বিধিনিষেধ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকারের নীতিনির্ধারকরাও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের এনজিওগুলো প্রকল্পের বাইরে কাজ করছে না। অ্যাকটিভিস্ট নয়, উন্নয়নের অংশীদার পরিচিতি পেতে আগ্রহী সংস্থাগুলো। করোনাকালে এনজিওগুলোর স্বপ্রণোদিত ভূমিকাও সন্তোষজনক নয়। আবার এও ঠিক, এনজিও ব্যুরো কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে এনজিওগুলোকে মানবিক কাজে যুক্ত করার ক্ষেত্রে ছিল সমন্বয়হীনতা।

এত এনজিও কী করছে :এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত এনজিও ২ হাজার ৫৩৭টি। এদের মধ্যে দেশীয় অর্থায়নে পরিচালিত হয় দুই হাজার ২৭৮টি, বিদেশি অর্থে চলে ২৫৯টি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশসহ মৌলিক অধিকার নিয়ে এ এনজিওগুলো কাজ করে থাকে। তবে অধিকাংশ এনজিওর অগ্রাধিকার খাত ক্ষুদ্রঋণ। সারাদেশে এনজিওগুলোর ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত গ্রাহক রয়েছেন প্রায় ৪২ লাখ। এর মধ্যে সরাসরি ঋণ নিয়েছেন প্রায় ৩৫ লাখ। তাদের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।

এনজিওবিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত বেসরকারি সাহায্য সংস্থাগুলোর পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর এবং মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত বহু এনজিও রয়েছে। কিছু এনজিও দেশীয় উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ঢিমেতালে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আরেকটি অংশ দাতাদের আর্থিক সহায়তা ও অনুদানে পরিচালিত হয়ে আসছে। গত বছরের মার্চে দেশে করোনাভাইরাস দেখা দেওয়ার পর থেকে কয়েকটি এনজিও বাদে বাকিদের দেখা যায়নি মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এগুলোর সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এনজিওগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে শক্ত মনিটরিং নেই। অধিকারভিত্তিক ও ব্যবসাভিত্তিক- এ দুই ধারার কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওদের মধ্যে সীমারেখা টানা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

পাটিসিপেটরি রিসার্চ অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (প্রান) নির্বাহী প্রধান নূরুল আলম মাসুদ সমকালকে বলেন, এনজিওর লাইসেন্স নিয়ে অনেকেই ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনা করে। ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ভূমিকা রাখলেও এটি স্বেচ্ছাসেবামূলক নয়- এটি ব্যাংকিং সার্ভিস। সমাজ উন্নয়নে অধিকারভিত্তিক কার্যক্রমে যুক্ত কোনো এনজিও যখন প্রকল্প দাখিল করতে যায়, তখন আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও ওই প্রকল্পের জন্য প্রতিযোগিতা করে। আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় অধিকারভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো পিছিয়ে পড়ছে।

নূরুল আলম মাসুদ বলেন, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ব্যাংকের মতো নীতিমালায় আনা দরকার। অথচ ক্ষুদ্র ঋণভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বড় এনজিওগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সরাসরি প্রকল্প পরিচালনা করায় ছোট ছোট এনজিওসহ বহু সামাজিক সংগঠন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দাবি করে এ উন্নয়নকর্মী বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের এনজিও ও সংগঠনগুলো স্বেচ্ছাসেবা করলেও কোনো সুবিধা পাচ্ছে না। স্থানীয় উন্নয়নে জাতিংঘের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কাজ না করে স্থানীয় সংগঠনের মাধ্যমে কাজ করাতে পারে। এতে সংগঠনগুলো টেকসই হবে, সমাজসেবা টিকে থাকবে।

তবে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সম্পর্কে ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (সিডিএফ) চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম সরকার বলেন, ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অধীন এনজিওগুলো 'মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি আইন ২০০৬' অনুযায়ী চলে। ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ ২৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্রমহ্রাসমান সুদহার নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রণোদনা ঋণের ক্ষেত্রে সুদ তিন শতাংশ। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংক থেকে ঋণ কিংবা ব্যক্তিগত টাকা বিনিয়োগ করতে হয়। ব্যাংকের সুদসহ বিভিন্ন খরচের পর এক শতাংশেরও কম টাকা উদ্বৃত্ত থাকে। বছর শেষে এই উদ্বৃত্ত থেকে ১০ শতাংশ মানবিক সহায়তায় ব্যয় করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অনেকেই মাল্টিপারপাস কোম্পানির সঙ্গে ক্ষুদ্র ঋণবিষয়ক এনজিওকে মিলিয়ে অভিযোগ করেন। বাস্তবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের কোনো আয় নেই।

কিস্তি আদায়ের অভিযোগ :করোনাকালীন মহামারির মধ্যেও বিভিন্ন এনজিও ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তির টাকা আদায়ে চাপ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে এই দুর্যোগে কিস্তি আদায়ে কোনো চাপ না দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, তাদের কিস্তির টাকার জন্য আগের মতোই প্রতি সপ্তাহে এনজিও কর্মীরা তাগাদা দিয়েছেন।

সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সরকারি নির্দেশনা না মেনে জোর করে ঋণের কিস্তি আদায় করায় ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টকে (ডিএফইডি) জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জালিয়াতি, দুর্নীতি, অনিয়মসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় গত ২৬ জুলাই বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'এনজিও কনসোর্টিয়ামের' নিবন্ধন বাতিল করে এনজিওবিষয়ক ব্যুরো। এ রকম বিভিন্ন অভিযোগে চলতি বছর ১৬টি এনজিওর নিবন্ধন বাতিল করেছে এনজিও ব্যুরো।

কমছে অনুদান :এদিকে তহবিল সংকটে করোনাকালে বহু এনজিওর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কেউ বলছেন, মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণার প্রক্রিয়ায় থাকা বাংলাদেশে 'বিদেশি ফান্ড' কমছে। কেউ বলছেন, মহামারির কারণে অনুদান কমে আসায় কার্যক্রমের গতি পিছিয়ে পড়ছে। সরকারের সহযোগিতাও পর্যাপ্ত নয়।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের এক জরিপে বলা হয়েছে, করোনা সংকটে জেলা পর্যায়ে কাজ করা ৯০ শতাংশ এনজিওর সম্পদের অপ্রতুলতা আছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, গত অর্থবছরে (২০১৯-২০) বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে অনুদানের প্রতিশ্রুতি কমেছে আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৬৩ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি অনুদানের পরিমাণ বাড়লেও এনজিও ব্যুরোতে বহু প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় পড়ে আছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের দেশ মধ্যম আয়ের দেশের দিকে যাওয়ার ফলে সংগত কারণেই ফান্ড কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সঙ্গে এনজিওগুলোর সমন্বয় দরকার।

নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন বলেন, ব্র্যাক ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিজস্ব সম্পদ আছে। ফলে তারা করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই মানবিক কাজ করেছে। কিন্তু অন্য সংস্থাগুলোর কাজ শুরু করতে একটু সময় লেগেছে।

সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযানের (সুপ্র) চেয়ারপারসন আব্দুল আউয়াল বলেন, পুরো পৃথিবীজুড়েই সংকট চলছে। এনজিওগুলোর সক্ষমতা থাকলেও বৈদেশিক সহায়তা এখন সরকারের কাছে যাচ্ছে। সরকার দিলে সেই টাকা এনজিওগুলো পাবে।

সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব :এনজিওকর্মীদের অভিযোগ, অতিমারির সময়কালে স্থানীয় পর্যায়ে তৎপর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে সরকারি নীতিকৌশল ও কর্মপন্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। ফলে এনজিওগুলো অনেকটাই নিষ্ফ্ক্রিয় ছিল। আবার কেউ কেউ বলছেন, এনজিওগুলোর শক্তিশালী কোনো জোট না থাকায় করোনাকালে কোনো সমন্বয় ছিল না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে এনজিওদের বেশ কয়েকটি জোট রয়েছে। এনজিওগুলোর সমন্বয়কারী সংগঠন 'এডাব' ১৯৭৪ সাল থেকে কাজ করছে। পরে এটি ভেঙে ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এসএনবি) নামে আরেকটি সংগঠন গঠন হয়। এ সংগঠনে চেয়ারপারসনের দায়িত্বে আছেন ব্যুরো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. জাকির হোসেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে এনজিও ও নাগরিক সংগঠনগুলোকে এক মঞ্চে আনতে গঠিত হয় সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) অ্যালায়েন্স। গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী এই জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ নামেও একটি সংগঠন রয়েছে। এর আহ্বায়ক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। এ প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সব জোটের সদস্যরাই আছেন।

এডাবের পরিচালক একেএম জসিম উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশে সব এনজিও একটিমাত্র সংগঠন এডাবে জোটবদ্ধ ছিল। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক কারণে পরিকল্পিতভাবে এনজিওগুলোকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে।

ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশের (এফএনবি) চেয়ারপারসন ও ব্যুরো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, সারাদেশের ৯০ শতাংশ এনজিও এখন এফএনবির সঙ্গে জোটবদ্ধ। সরকারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রেখেই জাতীয় ও তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে। করোনাকালে এনজিওগুলো নানা সংকটের মধ্যেও মাঠে ছিল। ছোট এনজিওগুলোর সমস্যা সমাধানে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করছি। এ মুহূর্তে এনজিও খাতে সমন্বয়ের কোনো ঘাটতি নেই।

মানবিক কার্যক্রমে ছিলেন যারা :বড় এনজিও হিসেবে পরিচিত ব্র্যাক করোনা মহামারি দেখা দেওয়ার পর থেকেই দেশে নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া গণস্বাস্থ্য, অক্সফাম, অ্যাকশনএইড, আশা, ওয়াটার এইড, ইউনিসেফ, আল-খায়ের ফাউন্ডেশন, ফ্রেন্ডশিপ, নাগরিক উদ্যোগ, ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ (এফএনবি), কোস্টাল বেল্ট, আহছানিয়া মিশন, এডাব, সিএসও, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) ও এনআরডিএসসহ বেশকিছু এনজিও মানবিক সহায়তা এবং সচেতনতামূলক কাজ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. আসিফ সালেহ বলেন, করোনা সবার সামনেই একটি সম্পূর্ণ নতুন বাস্তবতা। আমাদের এনজিওগুলো প্রধানত উন্নয়নমুখী। তাদের ব্যর্থ বলা ঠিক নয়। করোনাকালে বিদেশি দাতারা তহবিল না বাড়িয়ে বরং আরও কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল। তবে পাইপলাইনে থাকা বরাদ্দ থেকে হয়তো ৫০ ভাগ করোনায় খরচ করতে বলেছিলেন। কিন্তু অনেক এনজিওর সেই সামর্থ্য ছিল না। স্বাধীনতা থাকায় ব্র্যাক ব্যতিক্রম ভূমিকা রেখেছে।

এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বৈদেশিক অনুদান কমে গেছে। যা আসছে তার মধ্যে ৯০ শতাংশই রোহিঙ্গাদের জন্য। রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করতেই এখন এনজিওগুলো বেশি আগ্রহী। তারা থাকতেও চায় কক্সবাজার জেলার ভেতর। ফলে সারাদেশে প্রকল্প কম। এনজিওগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে প্রকল্পের ২০ শতাংশ অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ করোনা সহায়তায় ব্যয় করার অনুরোধ করেছি। কিন্তু দাতা সংস্থা অনেক সময় রাজি হয় না। প্রকল্পগুলো যাচাই-বাচাই করেই অনুমোদন দিচ্ছি, এতে একটু সময় লাগছে।