ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনতে গিয়ে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে সংশ্নিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সাত প্রতিষ্ঠানের ১০ কর্মকর্তাকে এ আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। ভোক্তা অধিকার বিষয়ক বেসরকারি সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)-এর পক্ষে রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাবরিনা জারিন ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।

এ বিষয়ে সাবরিনা জারিন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সিসিএস থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ’ ভুক্তভোগীর সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। যাদের টাকা পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে আছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আইনি নোটিশের জবাব না পেলে এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করা হবে। 

উল্লেখ্য, বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী ই-কমার্সে কোনো গ্রাহক পণ্যের অর্ডার দিলে তার টাকা বর্তমানে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকে। পণ্য ডেলিভারি হওয়ার পর প্রমাণ জমা দিয়ে সেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান টাকা ছাড় করে থাকেন। গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে এক নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়। কিন্তু গ্রাহক পণ্য না পেলেও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া টাকা ফেরত পান না। ফলে গ্রাহকের টাকা আটকে থাকছে। এ পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যে গ্রাহকের কয়েকশ’ কোটি টাকা গেটওয়েগুলোতে আটকে আছে।