কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তি মুঠোফোনে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছে পুলিশের ডিআইজি বলে নিজেকে পরিচয় দিতেন। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাকে।

গ্রেপ্তার কামরুল হাসান ফুলপুর উপজেলার বাঁশাটি গ্রামের প্রয়াত গোলাম রব্বানীর ছেলে। কামরুল ছাড়াও তার চক্রে রয়েছেন জালাল উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম ও কাদির নামের আরও তিন সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন কামরুল ও তার চক্রের সদস্যরা। আগ্রহী চাকরি প্রার্থী ও তাদের পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ডিআইজি পরিচয় দিতেন কামরুল। তাকে বিশ্বাস করে তার চক্রের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হতো টাকা। চক্রটি ফুলপুর থেকে পুলিশ কনস্টেবল পদের জন্য আগ্রহী প্রার্থী সংগ্রহ করে উত্তরা নিয়ে একটি ক্লিনিকে ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। অন্তত দুই বছর ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন তিনি। বিভিন্ন নিয়োগের সময় চক্রকে কাজে লাগাতেন কামরুল।

এর আগে প্রতারণার অভিযোগে সোমবার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও ফুলপুর এবং জামালপুর জেলা থেকে ছামিউল আলম (৬৬), জালাল উদ্দিন (৭৫) ও মারুফ মিয়া (১৯) নামের তিন প্রতারককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে জালাল উদ্দিনের দেওয়া তথ্য অনুসারে মঙ্গলবার রাতে ভালুকা থেকে কামরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, কামরুল অন্তত ২ বছর ধরে প্রতারণা করে আসছিলেন। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।