ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

‘নবায়ণযোগ্য জ্বালানি প্রসারের উদ্যোগ দেশের প্রেক্ষাপটে সাহসী পদক্ষেপ’

‘নবায়ণযোগ্য জ্বালানি প্রসারের উদ্যোগ দেশের প্রেক্ষাপটে সাহসী পদক্ষেপ’

ছবি: সমকাল

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২১:৪৪

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি প্রসারের উদ্যোগসমূহ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাহসী পদক্ষেপ। নবায়ণযোগ্য জ্বালানি ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্পের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন একত্রিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল মোকাবিলায় ‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’ কৌশলগত উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়ণযোগ্য উৎস হতে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। 

সোমবার দুবাইয়ে আইআরইএনএ আয়োজিত ‘জীবন ও জীবিকার ক্ষমতায়ণ-জলবায়ুর জন্য নবায়ণযোগ্য জ্বালানি’ উদ্যোগটির উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ আইআরইএনএ’র দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সংগতি রেখে টেকসই উন্নয়নের জন্য নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসারে কাজ করছে। নবায়ণযোগ্য জ্বালানির প্রসার ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়ণযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বৃহৎ আকারের প্রকল্পের বাইরেও ছাদে সোলার, ভাসমান সোলার ও সৌর সেচের মতো ছোট উদ্যোগের দিকেও বাংলাদেশ মনোনিবেশ করেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে ৪৫ হাজারটি সোলার ইরিগেশন পাম্প প্রতিস্থাপন করার বিষয়টি রোডম্যাপে বলা হয়েছে। ফলে ডিজেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং পরিবেশগত ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রী মরিয়ম বিনতে মোহাম্মেদ আলমেহইরি, আইসল্যান্ডের পরিবেশ, জ্বালানি ও জলবায়ু মন্ত্রী গাডলাওগার থর থরডারসন, বেলজিয়ামের উপপ্রধান কেবিনেট ডমিনিকিউ পারিন, নেপালের জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ মন্ত্রী শক্তি বাহাদুর বাসনেট এবং ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী আরিফিন তাসরিফ বক্তব্য রাখেন। 

আরও পড়ুন

×