‘সততাই শক্তি, সুসাংবাদিকতায় মুক্তি’ শ্লোগানকে ধারণ করে শিগগিরই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে মাল্টিমিডিয়া অনলাইন পত্রিকা ‘ঢাকাপ্রকাশ’। সোমবার বিকেলে হোটেল লা ভিঞ্চির মোনালিসা হলে পত্রিকাটির লোগো উন্মোচন করেন পাঁচ সম্পাদক।

অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে লোগো উন্মোচন করা হয়। পরে কেক কাটা হয়। যৌথভাবে লোগো উন্মোচন ও কেক কাটেন- দ্য ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাহজাহান সরদার, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও পাক্ষিক অন্যদিন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকাপ্রকাশ-এর প্রধান সম্পাদক কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, ‌'প্রায় ত্রিশ বছর প্রিন্ট মিডিয়ায় রিপোর্টার থেকে চিফ রিপোর্টার, উপ-সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকসহ নানা দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। এর আলোকে দ্বিভাষিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঢাকাপ্রকাশ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছি।'

মোস্তফা কামাল আরও বলেন, 'কয়েকজন সুহৃদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছি ঢাকাপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে আমরা সততা ও সুসাংবাদিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করতে চাই।'

দ্য ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ''এই সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ, অসততা,  দুর্নীতি, অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতা। ঢাকাপ্রকাশের শ্লোগানই 'সততাই শক্তি, সুসাংবাদিকতায় মুক্তি'। আমার বিশ্বাস তারা সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে অনন্য নজির স্থাপন করবে।''

বাংলাদেশ জার্নালের সম্পাদক শাহজাহান সরদার বলেন, 'ঢাকাপ্রকাশের সম্পাদক বিনয়ী ও সৎ মানুষ। আমার বিশ্বাস তিনি সেই সততা ও সুসাংবাদিকতার মাধ্যমে পত্রিকাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।'

জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, 'কঠিন সময় পার করছে গণমাধ্যম। কিন্তু এই কঠিন সময়েও আসছে নতুন নতুন পত্রিকা। এটা প্রশংসনীয়। আমি বিশ্বাস করি, সততা ও সুসাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বড় প্লাটফর্ম হবে ঢাকাপ্রকাশ।'

পাক্ষিক অন্যদিন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, 'মোস্তফা কামাল লড়াকু মানুষ। লড়াই করেই তিনি এতদূর এসেছেন। সাংবাদিকতার নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকাপ্রকাশ তার স্বপ্নের গণমাধ্যম।  তার স্বপ্ন ও অধ্যবসায় সফল হবে এটাই প্রত্যাশা করি।'

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ১ তারিখে প্রকাশিত হবে ঢাকাপ্রকাশ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

বিষয় : অনলাইন পত্রিকা ঢাকাপ্রকাশ

মন্তব্য করুন