নোয়াখালীর ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবির ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি)।

সোমবার সন্ধ্যায় ভাসানচরে আরআরআরসি কার্যালয়ে আলোচনা সভায় তারা এই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এর আগে সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে করে তারা ভাসানচরে যান। পরে রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন চিত্র তারা ঘুরে দেখেনে। প্রতিনিধি দলে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কর্মকর্তারাও ছিলেন।

জাতিসংঘের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন কর্মকর্তা নওশের ইবনে হালিম বলেন, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন অফিসে ইউএনএইচসিআর এবং ডব্লিউএফপি কর্মকর্তারা প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক করেন। সভায় সাতজন ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি এবং অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় তারা ভাসানচরের সার্বিক বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

নওশের ইবনে হালিম বলেন, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বানৌজা ডলফিন নামের একটি জাহাজে করে জাতিসংঘের ২৫ জন প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি, চারটি গাড়িসহ মালপত্র নিয়ে ভাসানচর পৌঁছায়।