বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে (চূড়ান্ত) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার সকাল ও বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চলমান পরিবহন ধর্মঘটেও এই পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ।

ভর্তি পরীক্ষা মডিউল-এ ও মডিউল-বি এই দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হয়। মডিউল-এ সকাল ১০টা হতে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা এবং মডিউল-বি বিকেল ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিটব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়। রেকর্ড পরিমাণ শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। 

অধিকাংশ হলেই প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। সকালে মডিউল-এ এর পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯৯.৪৫% এবং বিকেলে মডিউল-বি এর পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯০%। মোট উপস্থিতি ছিলো ৯৪.৭৩ শতাংশ।

প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের অধীন ১২টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। 

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠিভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট ৩টি ও স্থাপত্য বিভাগ একটি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমোট এক হাজার ২১৫টি আসনের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার পাঁচ জন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ১২ হাজার ৩১৫ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী পাঁচ হাজার ৬৯০ জন। 

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারীর কারণে এবছর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাক-নির্বাচনী ও মূল ভর্তি পরীক্ষা এই দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। ২০ ও ২১ অক্টোবর দু’দিন চার শিফট প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হয়। বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনকৃত মোট ১৮০০৫ জন প্রার্থী প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরপর মূল ভর্তি পরীক্ষার জন্য সেখান থেকে মেধার ভিত্তিতে বাছাইকৃত প্রতি শিফটের ১৫০০তম পর্যন্ত যোগ্য প্রার্থী লিখিত এই মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।