পবিত্র হজকে উপলক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ কার্যক্রম সম্পন্ন  করার নির্দেশনা দিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। 

রোববার সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পবিত্র হজ উপলক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। 

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করা যায়, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছর ৮ জুলাই পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশি হজযাত্রীরা হজে অংশগ্রহণ করবেন।’ 

মো. ফরিদুল হক খান বলেন, ‘কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের দেশগুলো থেকে হজযাত্রীরা সৌদি আরব যেতে পারেননি। বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পবিত্র ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হতে বিপুল সংখ্যক ওমরাহ যাত্রী  সৌদি সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য শর্তাবলি পালন সাপেক্ষে ওমরাহ পালন করছেন।’ 

পবিত্র হজ পালন উপলক্ষে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানিয়ে ফরিদুল হক খান বলেন, ‘হজ চুক্তির পর বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।  তবে আগামী হজ সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে হজের অনেক কার্যক্রমের প্রস্তুতি এখন থেকেই  শুরু করতে হবে।’ 

তিনি জানান, সিনোভ্যাক- সিনোফার্মা টিকা নেওয়া হজ যাত্রীরা বুস্টারডোজ ছাড়াই সৌদি আরবে ওমরাহ্ পালন করতে পারবেন।

বৈঠকে প্রাক-নিবন্ধনের বিদ্যমান অবস্থা, নিবন্ধিত হজযাত্রীদের বিদ্যমান অবস্থা, হজ প্যাকেজ, প্রাক নিবন্ধন ও নিবন্ধন কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়, পাসপোর্ট, রোড টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ, বাংলাদেশ হতে ওমরা পালন করতে সৌদি আরবে যাওয়া ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ প্রদান, হজ যাত্রীদের জন্য টিকা ক্রয়, ইলেকট্রনিক হেলথ প্রোফাইল, হজের কার্যক্রম বিষয়ে প্রচার- প্রচারণা, হজ এজেন্সি নবায়ন ও তালিকা প্রকাশসহ নানা বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান এনডিসি'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ধর্ম, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন, স্বাস্থ্য, তথ্য, সিভিল এভিয়েশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, হজ অফিস, ঢাকা ও জেদ্দা, পাসপোর্ট, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), সোনালী ব্যাংক,  ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও হজ এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।