ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহসান এলাহী জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে আইএলও কনভেনশন এর ১৩৮- এ অনুস্বাক্ষর করবে সরকার।

বুধবার জিএফইএমএস ও বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) আয়োজিত অনানুষ্ঠানিক পোশাক খাতের শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে এক ওয়েবিনারে এ আহ্বান করেন বক্তারা। ওয়েবিনারে শ্রমসচিব ছাড়াও লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন, সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ওয়েবিনারে শ্রম সচিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের স্থানীয় পোশাক কারখানাগুলো থেকে শিশুশ্রম কমিয়ে আনার বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান শ্রম সচিব।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক জানান, দেশের বড় শিল্পে শিশুশ্রম না থাকলেও ক্ষুদ্র শিল্প কারখানায় কাজ করছে শিশুরা। তবে পেইন্টিং, বেনারসি পল্লীর মতো পারিবারিক কারখানায় যারা কাজ করছে, তাদের শিশুশ্রমের আওতায় ফেলা ঠিক হবে না বলে মনে করেন তিনি।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, দেশে কর্মরতদের প্রায় ৮৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। নারায়ণগঞ্জ কেরানীগঞ্জের পোশাক কারখানায় কর্মরতদের জোর করে কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত কাজ করতে বাধ্য করা হলেও ওভারটাইম পায় না তারা।

এছাড়া তারা বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে সমন্বয় করা। শ্রমিকদের অধিকার ও ন্যায্য মজুরি দিতে মালিকদের সহায়তা চান বক্তারা।