বঙ্গবন্ধুর নাম ও ছবি কোথায় কীভাবে ব্যবহার করা যাবে- এই মর্মে নীতিমালা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ। 

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এই জাতিকে মুক্ত করেছেন, একটা দেশ দিয়ে গেছেন। যতদিন এই দেশ থাকবে, এই জাতি থাকবে, এদেশের ইতিহাস থাকবে, ততদিন তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। তাকে আমাদের ধারণ করতে হবে। তবে দেখা যায়, আমরা বঙ্গবন্ধুকে যত্রতত্র ব্যবহার করছি। তাই বঙ্গবন্ধুর নাম ও ছবি কোথায় কীভাবে ব্যবহার করা যাবে- এই মর্মে নীতিমালা করা দরকার।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘আমার বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃহল বক্তৃতা প্রতিযোগিতার প্রথম পর্যায়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের অডিটরিয়ামে ওই অনুষ্ঠান হয়।

এ. কে. আজাদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করতে হবে। তাহলে তাকে জানা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখন বাণিজ্যমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করেছিলেন, তখন ঢাকা শহরে তার থাকার জায়গা ছিল না। তিনি তার পরিবারকে টুঙ্গিপাড়ায় পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এই ছিলেন আমাদের বঙ্গবন্ধু। অথচ বর্তমানে এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা পদের জন্য অনেক নিচে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু আমাদের এটি শেখাননি। তিনি সারাজীবন মাথা উঁচু করে বেঁচেছেন।’ 

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের উপ-মহাপরিচালক অনুপ কুমার খাস্তগীর, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ), যুগ্ম মহাসচিব সুভাষ সিংহ রায়, কোষাধ্যক্ষ দেওয়ান রাশিদুল হাসান, যোগাযোগ ও প্রচার সম্পাদক কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।