শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, 'যাদের রক্তের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা তাদের অনেকেই ছিলেন এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। এই বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে অবদান রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করবে বলে আমার বিশ্বাস।'

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শতবর্ষ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাস ও বাংলাদেশ একটি জাতি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার ইতিহাস অবিচ্ছেদ্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হয়েছে গবেষণামূলক শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে। প্রতিষ্ঠার প্রথম অর্ধশত বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয় যে শিক্ষিত, সংস্কৃতিমনা, অসাম্প্রদায়িক চেতনায় পরিশীলিত যে মধ্যবিত্ত সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল, তাদের হাত ধরেই অর্জিত হয়েছে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ।

অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।