চলচ্চিত্রে সমাজের ক্যানভাসটাও তুলে ধরা জরুরি। এজন্য এর ভাষার গভীরতা থাকতে হবে। চলচ্চিত্র সমাজের মানুষকে সমাজকে প্রশ্ন করা শেখাবে। এর মাধ্যমে নতুন চিন্তা বের করে আনতে হবে। যুব সমাজের হিংসাত্মক হয়ে ওঠা রোধে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করা দরকার।

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবনে উচ্চতর সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে 'বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চিন্তাশীলতা ও রাজনৈতিক সচেতনতা' শীর্ষক এক সেমিনারে তারা এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. জিয়া রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নাদির জুনাইদ। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, এ সময় এই ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এই বিষয় নিয়ে দেশে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ না করা। তিনি ধর্মীয় গোড়ামি, অসহিষুষ্ণতা ও কুসংস্কার নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন।

অধ্যাপক শফিউল আলম ভূঁইয়া বলেন, চলচ্চিত্র সমাজের মানুষকে প্রশ্ন করা শেখাবে। ক্যানভাস ধরার পাশাপাশি চলচ্চিত্রে সমাজের ক্যানভাসটাও তুলে ধরা জরুরি। সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিবর্তন না এলে চলচ্চিত্রে পরিবর্তন আনা অসম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক জিয়া রহমান দেশের মানুষের রাজনৈতির সচেতনতা বৃদ্ধিতে চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।