ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও নিহতের ঘটনায় লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখসহ আট জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার নৌ পরিবহন আদালত। একইসঙ্গে অভিযান-১০ এর ফিটনেস সনদ, নিবন্ধন ও মাস্টার-ড্রাইভারদের সনদও স্থগিত করা হয়।

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের করা মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে রোববার দুপুরে নৌ পরিবহন আদালতের বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জয়নাব বেগম এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের মুখ্য ইন্সপেক্টর শফিকুর রহমান বাদী হয়ে এই মামলা করেছেন বলে সমকালকে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা (প্রসিকিউটিং অফিসার) বেল্লাল হোসাইন।

বেল্লাল হোসাইন বলেন, লঞ্চ দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদন আসার পর ইন্সপেক্টর শফিকুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএ ভবনে অবস্থিত আদালতে এই মামলা করেন। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, মো. শামীম আহাম্মেদ, মো. রাসেল আহাম্মেদ, ফেরদৌস হাসান রাব্বি, মো. রিয়াজ শিকদার, মো. মাসুম বিল্লাহ, মো. খলিলুর রহমান ও আবুল কালাম। এদের মধ্যে রিয়াজ শিকদার এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের মাস্টার ইনচার্জ, মাসুম বিল্লাহ ড্রাইভার ইনচার্জ, খলিলুর রহমান মাস্টার ও আবুল কালাম ড্রাইভার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে গত শুক্রবার ভোররাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লেগে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।