ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪

কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটার আনাই চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগের

কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটার আনাই চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগের

.

 শাহেদ চৌধুরী

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ০১:০৪ | আপডেট: ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১২:৩৫

রাজধানী ঢাকার ১৬টি আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ। এ জন্য দলীয়ভাবে নতুন করে কেন্দ্র কমিটি গঠনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তবে এ নিয়ে বেশির ভাগ সংসদ সদস্য প্রার্থীর সঙ্গে দলের নগর নেতাদের মতভেদ দেখা দিয়েছে।

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি। ফলে এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে এরই মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে সরকারি দলেও। এই অবস্থায় ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রায় প্রতিটি আসনেই দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ নিয়ে দলের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সমকালকে জানিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই। দলীয়ভাবে তাদের বাধা দেওয়া হবে না।

আগামী নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রমাণ করার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকার বেলায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা নিশ্চিত করেছেন। এতে ভোটকেন্দ্রে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ জন্য দলীয়ভাবে নানা ধরনের কৌশল নেওয়া হচ্ছে। প্রার্থীসহ দলের তৃণমূল পর্যায়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন ভোটাররা। তারা এবারকার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেবেন। আর রাজধানী ঢাকার আসনগুলোতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রে আসবেন। তিনি বলেছেন, গড়পড়তা ৪০ শতাংশ ভোটার আওয়ামী লীগের সমর্থক। 
অবশ্য এ নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরেই ভিন্নমত রয়েছে। তাদের ভাষায়, দলীয় সমর্থকদের সবাই ভোটকেন্দ্রে আসছেন না। কেউ কেউ বলছেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। একই দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে এই হার ছিল ২৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এই দুটি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। 
২০২০ সালের ২১ মার্চ জাতীয় সংসদের ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েছিল বিএনপি। ওই উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। এই বছরের ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ওই উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। 

তবে ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ নেওয়ার পরও ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয় পেয়েছিলেন। এই পাঁচটি নির্বাচনের চারটিতে বিএনপির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটার উপস্থিতি ৩০ শতাংশ ছাড়ায়নি। 

ফলে আওয়ামী লীগের দাবি করা তাদের ৪০ শতাংশ ভোটারের সবাই ওই পাঁচটি নির্বাচনে ভোট দিতে যাননি। এই অবস্থায় বিএনপিবিহীন আগামী নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের আনার বেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার আসনগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে এক ধরনের দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।  
ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার উপস্থিত করার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন। নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীকে শতভাগ সক্রিয় করে তুলছেন। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর সমন্বয়ে প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য তিনটি করে কেন্দ্র কমিটি গঠন করেছেন। 

কেন্দ্র কমিটির নেতারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনায় মূল ভূমিকা পালন করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী এবং দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেছেন, বিএনপি হরতাল-অবরোধ ও আগুন সন্ত্রাস চালালেও জনগণকে নির্বাচনবিমুখ করতে পারেনি। ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। তাই প্রত্যাশিত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জেও জয় পাবে আওয়ামী লীগ। 

এদিকে, কেন্দ্র কমিটি নিয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগে কিছুটা সংকট তৈরি হয়েছে। সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্র কমিটি গঠনের সুযোগ না থাকলেও ইউনিট কমিটিই ভোটকেন্দ্র কমিটি হিসেবে পরিচিতি পেয়ে আসছে। আর ইউনিট কমিটিগুলো অনেক আগেই অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু দলের প্রার্থীদের অনেকেই ইউনিট কমিটিতে নতুন করে তাদের পছন্দের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করতে চাইছেন। তবে এতে বাদ সেধেছেন নগর নেতারা। তাদের দৃষ্টিতে, এতে আগামীতে সাংগঠনিক জটিলতা বাড়বে। 

এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, প্রার্থীদের কেউ কেউ ইউনিট কমিটিগুলো নতুন করে সাজাতে চাইছেন। কিন্তু এতে দলে সমস্যা তৈরি হবে। এটা করা উচিত হবে না। তাঁর অভিমত, বিএনপিবিহীন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোটাই চ্যালেঞ্জের। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 
তবে নির্বাচনে শক্ত প্রতিপক্ষ না থাকায় নেতাকর্মীর মধ্যে কিছুটা ঢিলেঢালা মনোভাব দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি। তিনি বলেছেন, এটা দুশ্চিন্তার কারণ। তাঁর কাছে ভোটারদের কেন্দ্রে আনাটাই চ্যালেঞ্জ। তিনি ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে ইউনিট কমিটির নেতাদের আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি সব ধরনের কৌশল নেওয়ার কথা বলেছেন। 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি বলেন, ৬১০টি ইউনিট কমিটির নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ঢাকা-২, ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯ এবং ঢাকা-১০ আসনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিত করার চেষ্টা চালাবে। আর ৮০২টি ইউনিট কমিটি ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭ এবং ঢাকা-১৮ আসনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে শতভাগ সক্রিয় থাকবে।  

আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরুর দিনক্ষণ এগিয়ে এলেও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগে এখন পর্যন্ত অনেকটাই বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছে। মনোনয়ন না পেয়ে নগর নেতাদের কেউ কেউ নিজেদের অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন। তারা নেতাকর্মীকে সক্রিয় করার বেলায় তেমন একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি ঢাকা-৬ আসনে দলের মনোনয়ন চেয়েও পাননি। সেই থেকে তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় রয়েছেন বলে দলের কয়েকজন নেতা সমকালকে জানিয়েছেন। এতে নেতাকর্মীর মধ্যে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়েছে বলে নগর নেতারা মনে করছেন। মন্নাফি গত ১ ডিসেম্বর পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব গেছেন। তিনি আগামী ১৫ ডিসেম্বর ফিরবেন বলে জানা গেছে।

এ অবস্থায় রাজধানীর বেশির ভাগ এমপি প্রার্থীর মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তারা নগরের অনেক নেতার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন না বলে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের জানিয়েছেন। আবার নগর নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিএনপি নির্বাচনে নেই বলেই দলের এমপি প্রার্থীদের কেউ কেউ নগর নেতাদের খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তারা নগর নেতাদের ‘হ্যালো’ পর্যন্ত করছেন না।
রাজধানীর ১৬টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা হচ্ছেন ঢাকা-২ আসনে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৪ আসনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, ঢাকা-৫ আসনে যাত্রাবাড়ী থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ মুন্না, ঢাকা-৬ আসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র সাঈদ খোকন, ঢাকা-৭ আসনে হাজী সেলিম এমপির ছেলে সোলায়মান সেলিম, ঢাকা-৮ আসনে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা-৯ আসনে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবের হোসেন চৌধুরী এবং ঢাকা-১০ আসনে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, ঢাকা-১১ আসনে মহানগর উত্তর শাখার সহসভাপতি ওয়াকিল উদ্দিন, ঢাকা-১২ আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ আসনে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসনে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা-১৫ আসনে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ আসনে পল্লবী থানা শাখার সভাপতি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ঢাকা-১৭ আসনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং ঢাকা-১৮ আসনে মহানগর উত্তর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাসান।
এর মধ্যে সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. হাবিবুর রহমান ঢাকা-২ আসনে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে তিনি আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঢাকা-৪ আসনে অ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাবেক এপিএস ড. আওলাদ হোসেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন এবং প্রয়াত এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার ছেলে মশিউর রহমান মোল্লা সজল ঢাকা-৫ আসনে দলের প্রার্থী হারুনর রশীদ মুন্নার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ঢাকা-৭ আসনে হাজী সেলিমের ছেলে সোলায়মান সেলিমকে চ্যালেঞ্জ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ২৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান।
ঢাকা-১৪ আসনে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুব মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন। রূপনগর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন রবিন ঢাকা-১৬ আসনে দলের প্রার্থী পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।
ঢাকা-১৮ আসনে মহানগর উত্তর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাসান শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছেন বলে অনেকেই মনে করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মহানগর উত্তর শাখার সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন এবং শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক খসরু চৌধুরী। ঢাকা-৬, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৫ এবং ঢাকা-১৭ আসনে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই।
এদিকে রাজধানী ঢাকার ১৬টি আসনের মধ্যে মাত্র তিনটি আসনের নেতাকর্মীকে সংগঠিত করার কার্যক্রম অনেকটাই গুছিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর নেতারা। এই তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আফম বাহাউদ্দিন নাছিম। 

 

আরও পড়ুন

×