ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি বিজনেস ক্লাব-বিজ বি আয়োজিত কেইসেসিনেশনের আসর কেইসেসিনেশন ২.০-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম ডিজিটাল’। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে যথাক্রমে আর্মি আইবিএর টিম ‘আজর আহাই’ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর টিম ‘থ্রেট লেভেল মিডনাইট’। 

শনিবার রাজধানীর গ্রেইস টুয়েন্টি ওয়ান স্মার্ট হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে অর্থ ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সেরা দলকে দেড় লাখ, প্রথম রানার্সআপকে এক লাখ ও দ্বিতীয় রানার্সআপকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভ ডোল্যান্ড। আরও উপস্থিত ছিলেন চূড়ান্ত পর্বের বিচারক ও আর্লা ফুডস বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং গালিব বিন মোহাম্মদ, রেকিটের ক্লাস্টার হেড অব সাপ্লাই মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, বিকাশ লিমিটেডের হেড অব ব্র্যান্ড ও ইভিপি আশরাফ-উল-বারি। 

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক উম্মুল আরা আদ্রিতা। বক্তারা বলেন, বাস্তবধর্মী ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু শেখার এবং জ্ঞানের সঠিক প্রয়োগ করে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জন করার সুযোগ দিতেই কেইসেসিনেশনের এ প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতাটিতে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল নিজেদের মেধা ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের প্রমাণ করার সুবর্ণ সুযোগ।

ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ সাদাত হাসান বলেন, পুরো প্রতিযোগিতায় টিমগুলোকে তাদের বিশ্নেষণ ক্ষমতা, সময়ানুবর্তিতা, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দক্ষতা এবং সৃজনশীলতার ওপর ভিত্তি করে যাছাই করা হয়েছে। কেইসেসিনেশনের দলগুলো প্রতিটি পর্বে বিজয়ীর মতো তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে এবং রেখেছে স্বকীয়তার চিহ্ন।

সাফল্যের নতুন উচ্চতায় আরোহণের আশ্বাসে ‘গ্লোরি অ্যাওয়েটস’ স্লোগানে কেইসেসিনেশনের যাত্রা শুরু হয় ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর। প্রতিযোগিতাটির ধাপগুলো ছিল যথাক্রমে ‘টেইমিং দ্য টাইডস’, ‘হুইপ্ল্যাশ’ ও তৃতীয় ধাপ ‘দি আলটিমেট কেইসেসিন’। এবারের আয়োজন শুরু হয় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর। ২৪ ও ২৯ নভেম্বর যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া অন্য দলগুলো হলো মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির স্কুইকি ফপেস ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো স্কোয়াড। এই প্রতিযোগিতাটির স্পন্সরে ছিল ইস্পাহানি লিমিটেড। মিডিয়া পার্টনার ছিল সমকাল ও সময় টেলিভিশন।