কক্সবাজারে পর্যটক নারীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’ মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলামকে সোমবার ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। 

সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন বলেন, কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হামীমুন তানজীনের আদালতে এ আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, এ মামলার বাকি পাঁচ আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে তারা কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।

এর আগে  গত ২২ ডিসেম্বর স্বামী ও সন্তানকে জিম্মি করে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের’ অভিযাগে ওই নারীর স্বামী চার জনের নাম উল্লেখ ও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মামলার এজাহারভুক্ত  আসামিরা হলেন, শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ শফি ওরফে ইসরাফিল হুদা জয় ওরফে জয়া, মেহেদী হাসান বাবু ও জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন,  গত ২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে প্রধান আসামি আশিকুল ইসলামকে কক্সবাজার আনা হয়। সোমবার (৩ জানুয়ারি) জিজ্ঞাসাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন তদন্ত কমকর্তা।

মামলার অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভিকটিম এবং বাদী একেক সময় একেক কথা বলছেন। এ কারণে মামলার অগ্রগতিতে প্রভাব পড়ছে, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মূল আসামিকে রিমান্ডে নিলে ঘটনার আরও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারব বলে আশা করছি।’