জাতিসংঘের মেডিসিন পেটেন্ট পুল (এমপিপি) বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যৌথভাবে জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুত করবে। জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারকদের নেটওয়ার্ক প্রসারিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত মুখে খাওয়ার ওষুধ মলনুপিরাভির উৎপাদনের জন্য দেশীয় কোম্পানি হিসেবে এমপিপির সাব-লাইসেন্স পেয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। কভিড-১৯-এর চিকিৎসার জন্য এই মুখে খাওয়ার ওষুধটি যুক্তরাষ্ট্রের মার্ক অ্যান্ড কোং ইনক এবং রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস যৌথভাবে প্রস্তুত করছে।

মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি ২০২১ সালের ৪ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার রেগুলেটরি এজেন্সি থেকে সেদেশে শর্তসাপেক্ষ বাজারজাতকরণের অনুমোদন পায়। একই বছর ২৩ ডিসেম্বর মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পায়।

বাংলাদেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য মলনুপিরাভির দেশেই তৈরি করবে বেক্সিমকো ফার্মা। এমপিপি থেকে লাইসেন্সের অধীনে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং উৎপাদন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের পর চলতি বছরের শেষ দিকে দেশে বিক্রি ও রপ্তানি শুরু করবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই মধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে মেধাস্বত্ব মওকুফের অধীনে গত বছরের ৯ নভেম্বর ঘোষণাকৃত মলনুপিরাভির (ইমোরিভির)-এর নিজস্ব জেনেরিক সংস্করণ বিক্রি চালিয়ে যেতে পারবে বেক্সিমকো ফার্মা।

বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, মহামারি শুরুর পর থেকে বেপিমকো রোগীদের কভিড-১৯ চিকিৎসা সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের মেডিসিন পেটেন্ট পুল মলনুপিরাভির উৎপাদনের জন্য সাব-লাইসেন্স পেয়ে আমরা আনন্দিত। এ ধরনের একটি মর্যাদাপূর্ণ সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বেপিমকোর উৎপাদন ক্ষমতার গুণগতমান প্রকাশ পাবে।