বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য সরকার চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত। কথা, চিন্তা, বিবেক, মতপ্রকাশ, সংগঠন ও সমাবেশের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে হুকুমবাদের দৌরাত্ম্যে। বহুত্ববাদিতা বিনষ্ট করে সামাজিক স্থিতি ও ভারসাম্য নষ্ট করা হয়েছে। তাই এখন সর্বত্র ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর দখলবাজদের জয়জয়কার। এই অসহনীয় দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল ঘোষণা উপলক্ষে সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। এ দিনটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতাকে চিরকাল কুক্ষিগত করার অসৎ উদ্দেশ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। একটি মাত্র দল বাকশাল ছাড়া অন্য সব দল এবং সরকার অনুগত ৪টি সংবাদপত্র ছাড়া বাকি গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মানুষের বাক-ব্যক্তিস্বাধীনতাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়; তারা বাকস্বাধীনতা ও মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব করে মূলত মানবাধিকারকেই পদদলিত করেছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভুয়া ভোটের নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে দ্বিতীয় বাকশালি রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুপরিকল্পিতভাবে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য আগেভাগেই আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করে।