গত ২ সপ্তাহে দেশের পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায়  নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।

বুধবার সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান সদর হাসপাতাল এবং খাগড়াছড়ির দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিউমোনিয়ায় অন্তত ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের বয়স ১ মাস থেকে ২ বছরের মধ্যে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। 

বিবৃতিদাতারা হলেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রামেন্দু মজুমদার, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ বিরোধী মঞ্চের সদস্য সচিব ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার, কৃষক সমিতির সভাপতি এসএমএ সবুর, বিএমএর সাবেক সভাপতি ডা রশীদ-ই-মাহবুব, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, উন্নয়ন কর্মী রোকেয়া কবির, অধ্যাপক এমএম আকাশ, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, অ্যাডভোকেট পারভেজ হাসেম, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জাতীয় শ্রমিক জোটের কার্যকরী সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক অ্যাডভোকেট জীবনানন্দ জয়ন্ত, সংস্কৃতি কর্মী ড. সেলু বাসিত, সংস্কৃতি কর্মী একে আজাদ, উঠোন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি অলক দাসগুপ্ত, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক দীপায়ন খীসা, ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল ও ছাত্রলীগ (বিসিএল) সাধারণ সম্পাদক গৌতম শীল।

বিবৃতিতে বলা হয়, শুধুমাত্র সেবা উপকরণের অপ্রতুলতাই নয়, সেবাদানকারীদের অবহেলাও এতগুলো প্রাণ ঝরে পড়ার জন্য দায়ী। গত দুই সপ্তাহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিংবা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। নিউমোনিয়ায় মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তানুসন্ধান প্রয়োজন। কেননা এতগুলো মৃত্যুর পেছনের কারণ জানা দরকার। সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে ঘটনার তদন্তেরও দাবি জানানো হয় বিবৃতিতে।