বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এক সদস্য যে চিঠি দিয়েছেন, তা সংবাদমাধ্যমে বড় প্রচার পেলেও দেশের কূটনৈতিক অভিজ্ঞ মহল তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না।

গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের সাত শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা বা স্যাঙ্কশন দিয়েছে, তা বাংলাদেশ সরকারকে প্রবল চাপে ফেলে। তবে ইউরোপে আলোচনা হলেও এর পুনরাবৃত্তি না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে বিশেজ্ঞরা মনে করেন।

পত্রদাতা ইউরোপীয় পার্লামেন্টের স্লোভাকীয় সদস্য ইভান স্টেফানেককে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মনে করা হচ্ছে না। চিঠির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সমকালকে বলেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য যেসব তথ্য দিয়ে যে ভাষায় চিঠি লিখেছেন, তার সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতার কোনো মিল নেই। সম্ভবত, তাকে কেউ টাকা-পয়সা দিয়ে একটা চিঠিতে সই করতে বলেছে এবং তিনি না পড়েই তাতে সই করে দিয়েছেন।

আলোচনা করছেন সমকালের সহযোগী সম্পাদক সবুজ ইউনুস ও বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ মেহেদী