চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেননি হাইকোর্ট। তবে এই সমিতির নির্বাচনে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া আরও ৮৪ জন শিল্পীকে নিয়ে রুল জারি করা হয়েছে। বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। এর ফলে ঘোষিত তফসিল অনুসারে আগামীকাল ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচন হতে আইনগত কোনো বাধা রইল না।

আদালতে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি জায়েদ খানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ব্যারিস্টার আহসানুল করিম ও নাহিদ সুলতানা যুথি। আবেদনকারী শিল্পীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।
পরে অরবিন্দ কুমার রায় সাংবাদিকদের বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত আবেদনকারী ৮৪ জনের বিষয়ে শুধুমাত্র রুল জারি করেছেন।
তিনি জানান, গত সপ্তাহে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ কোনো নোটিশ ছাড়াই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৬ সদস্যকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। খোরশেদ আলম খসরুসহ ১৬ জন শিল্পী নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টে রিটটি করেন। এরই মধ্যে নতুন করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া আরও ৮৪ জনের বিষয়ে হাইকোর্টে সম্পুরক একটি আবেদন করা হয়। যার ভিত্তিতে হাইকোর্ট তাদেরকেও আগের রুলে অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেননি।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এবার ২১ পদে মিশা সওদাগর-জায়েদ খানের নেতৃত্বে একটি প্যানেল এবং ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুনের নেতৃত্বে আরেকটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে নির্বাচনে ভোটার তালিকায় বাদ পড়াদের নিয়ে বিভিন্ন মহলে এরইমধ্যে নানামুখী প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।