মানিকগঞ্জে গৃহবধু সালেহা আক্তার হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক। 

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক বলেন, ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে আসামিকে অতিরিক্ত দুই মাস কারাগারে থাকতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রেজাউল মন্ডলের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নিহালপুর এলাকায়। তিনি আরিচা ফেরি ঘাটে চা-পানের দোকান করতেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি রেজাউল মন্ডলের সঙ্গে পরকীয়ার সর্ম্পক ছিল গৃহবধু সালেহা আক্তারের। ২০১১ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সালেহা আক্তারকে ডেকে নিয়ে যায় আসামি রেজাউল মন্ডল। ওই রাতেই সালেহার সঙ্গে রেজাউল মন্ডলের মনোমানিল্য ও কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রেজাউল সালেহাকে শাড়ির আচঁল গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরের দিন ২ অক্টোবর রেজাউল মন্ডলকে আসামি করে শিবালয় থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই ইসমাইল হোসেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র  দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। মামলায় মোট ১৯ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। 

আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। আসামিকে গ্রেপ্তার করে সাজা কার্যকর করার নিদের্শ দিয়েছেন বিচারক। 

রাষ্ট্রপক্ষের মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি নিরঞ্জন বসাক এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী সাখাওয়াৎ হোসাইন খান।