একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি আবেদনের প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। শনিবার সন্ধ্যার পরই বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে ফলাফল দেখতে পারছে আবেদনকারীরা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আবু তালেব মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ।

তিনি সমকালকে বলেন, সন্ধ্যা ৬টার পরই ওয়েবসাইটে একাদশ শ্রেণিতে আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আশা করছি, রাত ৯টার মধ্যে তারা মোবাইলেও ক্ষুদে বার্তা পেয়ে যাবে। যার কলেজে সুযোগ হয়নি সেও এ তথ্য মোবাইলে পাবে।

যেসব আবেদনকারী কাঙ্ক্ষিত কলেজ পায়নি তাদের কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে যারা কলেজ পায়নি তাদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ আছে। এবার আমরা দেখেছি অনেক আবেদনকারী শুধুমাত্র পাঁচটি কলেজ চয়েজ দিয়েছে। দেখা গেছে আবেদনকারীর স্কোর, অর্ডার অব চয়েজ ও তার র‌্যাংকিং আসেনি। এসব শিক্ষার্থীকেই পুনরায় আবেদন করতে হবে।’

এর আগে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছিলো, আগামী ২ মার্চ থেকে কলেজে একাদশ শ্রেণির ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে। নির্ধারিত তারিখ থেকেই ক্লাস শুরু হবে কিনা জানতে চাইলে কলেজ পরিদর্শক বলেন, এটি নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। সরকার যদি বিধি-নিষেধ তুলে নেয় তখন ক্লাসে ফিরবে শিক্ষার্থীরা। আর যদি এটি অব্যাহত থাকে তবে পূণরায় তারিখ ঘোষণা করা হবে। 

এ দিকে শনিবার সন্ধ্যায় একাদশ শ্রেণির ভতির্ বিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামীকাল রোববার থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে রেজিস্ট্রেশন ফি ২২৮ টাকা (ওয়েবসাইটে উল্লেখিত অপারেটর-এর মাধ্যমে) জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে। তবে পরবর্তীতে মাইগ্রেশন হলে শিক্ষার্থীকে নতুন করে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে না অর্থাৎ কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির তারিখ ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এবার পছন্দের কলেজে পড়তে ১৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৮ জন আবেদনকারী একাদশ শ্রেনিতে ভর্তির জন্য আবেদন করছে। মোট আবেদন সংখ্যা ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৫টি। এই আবেদনগুলো নিশ্চয়ন করেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শুরু হবে। 

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন ২৩ জানুয়ারি (রাত ১২টা) পর্যন্ত চলেছে। গতবছর মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে পেরেছেন ভর্তিচ্ছুরা।