ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন নির্বাচন (২০২২-২০২৩) নিয়ে একটি কুচক্রী মহল নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেছেন, কথিত 'জাতীয়তাবাদী সমর্থক' পরিচয় দিয়ে ওই কুচক্রী মহল এই নির্বাচন ‘বানচালের অপপ্রয়াস’ চালাচ্ছে। 

তারা বলেন, ‘জাতীয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ করতে নির্বাচনে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এমনকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে নির্বাচন বন্ধ করার পাঁয়তারাও চালাচ্ছে তারা ‘

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। 

এ সময় আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত উভয় প্যানেলের প্রার্থীরা এবং দুই দলের আদর্শে বিশ্বাসী আইনজীবীরা উপস্থিত থেকে অভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান। 

তিনি বলেন, আগামী ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার এসোসিয়েশনের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত ও আওয়ামী কর আইনজীবী লীগ মনোনীত এবং জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত দুটি প্যানেলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

‘মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তা জমা না দিয়ে কথিত 'জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য' প্যানেলের প্রার্থীরা নানা অপপ্রচার ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে নেমেছেন। মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ সময়সীমা পার করে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে নানা মিথ্যাচার ও বিষেদগারও করেছেন তারা। ’- অভিযোগে বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নেতারা বলেন, ২০১৮-১৯ সালে অ্যাসোসোসিয়েশনের নেতৃত্বে থাকা কমিটি নিজেদের দুর্নীতি-অনিয়ম ও অপকর্ম থেকে রক্ষা পেতে ‘বিএনপির পরিচয়ের’ সুবিধা নিয়ে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পেছন থেকে কথিত বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা এতে ইন্ধন দিচ্ছেন। গত তিন বছর ধরে নির্বাচন এলে এমন কাণ্ড ঘটান তারা। অথচ বিএনপির প্রকৃত সমর্থক আইনজীবী নেতারা তাদের নিজেদের সমর্থক হিসেবে ‘ওন’ করেন না। এত কিছুর পরও আসন্ন অ্যাসোসিয়েশনের আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশনের কমিশনার অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইকবাল মোস্তফা, ঢাকা ট্যাকসেস্‌ বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব অ্যাডভোকেট একেএম আজিজুর রহমান,  অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহ্‌রাব উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ শাহাদাত খান, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, হুমায়ূন কবীর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল মজিদ মল্লিক।