বাজেট প্রণয়ন, নীতি-নির্ধারণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন তথ্য মানসম্পন্ন এবং স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারকারীসহ সবার জন্য এসব তথ্য সহজলভ্য হওয়ার বিষয়টিও জরুরি। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। তথ্যের ঘাটতি, অস্পষ্টতা এবং বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে। এমনকি চাহিদা জানিয়েও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য পাওয়া যায় না।

বৃহস্পতিবার রাজস্বনীতি সংক্রান্ত এক সংলাপে এমন মতামত তুলে ধরছেন জনপ্রতিনিধি, গবেষক ও উন্নয়ন বিশ্লেষকরা।

‘নীতি নির্ধারণে আর্থিক তথ্য-উপাত্ত সংক্রান্ত তথ্যের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ’ বিষয়ক এ সংলাপ আয়োজন করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেল অনুষ্ঠিত এ সংলাপে সহযোগিতা করেছে দি এশিয়া ফাউন্ডেশন।

সংলাপে অংশ নেওয়া জনপ্রতিনিধি, গবেষক ও উন্নয়ন বিশ্লেষকরা মনে করেন, উন্নয়ন আখ্যানের সঙ্গে সম্পূরক তথ্যের হয়তো মিল থাকবে না কিংবা এ নিয়ে সংকট তৈরি হয় কি না- এ রকম রাজনৈতিক সংশয় থেকেই তথ্য প্রকাশ হতে না দেওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। এজন্য তথ্যের গুণমান, অবাধ ও স্বচ্ছতা আনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রণোদনার প্রয়োজনীতার কথা বলেছেন তারা।

সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় সংলাপে বক্তব্য দেন সংস্থার নির্বাহী চেয়ারম্যান বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেহমান সোবহান, বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন, সরকারি হিসাব সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ড. আব্দুস শহীদ, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, কাজী নাবিল আহম্মেদ ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী।